Supreme Court On Stray Dogs: রাস্তা থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে! বেওয়ারিশ কুকুর বিতর্কে সুপ্রিম কোর্টের নয়া মোড়...

user 13-Aug-2025 দেশ

দিল্লি-এনসিআরকে ‘স্ট্রে-ডগ ফ্রি’ করার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ। ১১ই অগাস্টের সেই রায় অনুযায়ী, ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যে সব বেওয়ারিশ কুকুরকে আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু এই নির্দেশ ঘোষণার পর থেকেই দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়-সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদে সরব হয়ে ওঠেন সাধারণ মানুষ থেকে সেলেব্রিটিরাও।

পশুপ্রেমীরা দাবি করেন, এটি কেবল প্রাণীর প্রতি অমানবিক আচরণ নয়, বরং সুপ্রিম কোর্টেরই আগের রায়ের পরিপন্থী। সেই পুরনো রায়ে বলা হয়েছিল-কুকুরদের নির্বিচারে হত্যা বা অমানবিক আচরণ করা যাবে না এবং সকল জীবের প্রতি সহানুভূতি দেখানো বাধ্যতামূলক।

প্রধান বিচারপতি বি. আর. গাভাইও বিষয়টির গুরুত্ব স্বীকার করেন। তিনি জানান, কুকুর সরানোর আদেশটি খতিয়ে দেখা হবে। একজন আইনজীবী আদালতের নজরে আনেন যে, আগের নির্দেশে প্রাণীদের সুরক্ষার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল। তাঁর মতে, দিল্লির কমিউনিটি কুকুরদের নির্বিচারে তুলে নিয়ে যাওয়া সেই রায়ের চেতনাকে লঙ্ঘন করছে।

এবার মামলা স্থানান্তরিত হয়েছে তিন বিচারপতির নতুন বেঞ্চে-বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা এবং বিচারপতি এন. ভি. আঞ্জারিয়া। বৃহস্পতিবার এই বেঞ্চে হবে শুনানি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বেঞ্চের রায় কেবল দিল্লি নয়, দেশের সর্বত্রই ভবিষ্যতের ‘স্ট্রে ডগ পলিসি’ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে দুটি প্রশ্ন-
১. শহরের নাগরিকদের নিরাপত্তা কি বেওয়ারিশ কুকুরদের রাস্তা থেকে সরিয়ে রাখায় বাড়বে?
২. নাকি এটি প্রাণী অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত হানবে?

প্রাণী অধিকার কর্মীদের মতে, সমাধান হতে পারে গণ-স্টেরিলাইজেশন ও ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম জোরদার করা। অন্যদিকে, কুকুর আক্রমণের শিকার পরিবারগুলি মনে করছে, অবিলম্বে রাস্তাঘাট থেকে কুকুর সরানোই নিরাপত্তার জন্য জরুরি।

এখন বৃহস্পতিবার কী হবে সেটাই দেখার, নতুন বেঞ্চ সিদ্ধান্ত নেবে, দেশের শহুরে রাস্তায় চারপেয়ে সঙ্গীরা থাকবে কি খাতবে না।

Related Post

জনপ্রিয় পোস্ট