মৃতার নাম ফতেমা খাতুন (২০)। প্রায় চার মাস আগে রঘুনাথগঞ্জের মহম্মদপুরে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির লোকজনই খুন করেছে তাঁকে।অভিযোগের ভিত্তয়োতে স্বামী-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।
প্রথম ময়নাতদন্তের রিপোর্টে অসন্তুষ্ট ছিলেন ফতেমার বাপের বাড়ির লোকজন। তাঁরা ফের ময়নাতদন্তের আবেদন জানালে, কলকাতা হাইকোর্ট সেই আবেদনে সাড়া দেয়।
রবিবার সকালে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কবর খুঁড়ে দেহ তোলা হয়। এরপর দেহ পাঠানো হয়েছে কল্যাণীর এইমসে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের জন্য।
ফতেমার পরিবার স্পষ্ট জানাচ্ছেন, তাঁদের মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারেন না। পণের চাপ এবং নির্যাতনের জেরেই খুন করা হয়েছে তাঁকে। তাই সত্যিটা সামনে আনার জন্য তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হন।