গাজায় যুদ্ধের পাশাপাশি অনাহার ও অপুষ্টির ভয়াবহতা ক্রমেই বাড়ছে। স্থানীয় হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে খাবারের অভাবে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে একাধিক শিশু রয়েছে।
এই নিয়ে গাজায় অনাহারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২১২ জনে, যার মধ্যে অন্তত ৯৮ জন শিশু। আন্তর্জাতিক মহলে এই সংখ্যা গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
ইজরায়েলের দাবি বনাম স্বেচ্ছাসেবীদের অভিযোগ
গাজায় দুর্ভিক্ষের বিষয়টি অস্বীকার করেছে ইজরায়েল। তাদের দাবি—বর্তমান খাদ্য সঙ্কটের জন্য দায়ী রাষ্ট্রসঙ্ঘের কিছু সংস্থা। ইজরায়েলের অভিযোগ, সীমান্ত দিয়ে যে ত্রাণ ঢুকছে, তা দুর্গতদের মধ্যে সঠিকভাবে বিতরণ করছে না এই সংস্থাগুলি।তবে, রাষ্ট্রসঙ্ঘের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলি এই অভিযোগ মানতে নারাজ। তাদের পাল্টা বক্তব্য—ত্রাণ সংগ্রহের জন্য ইজরায়েল নিয়ন্ত্রিত সীমান্ত এলাকায় প্রবেশের সময় তারা নিয়মিত বাধা ও বিলম্বের মুখোমুখি হচ্ছেন। এছাড়া, গাজায় যে পরিমাণ ত্রাণ প্রবেশ করছে, তা মানুষের ন্যূনতম প্রয়োজনেরও অনেক কম।
মানবিক বিপর্যয়
জাতিসঙ্ঘ ও আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলি ইতিমধ্যে সতর্ক করেছে, অবিলম্বে পর্যাপ্ত খাখাবার, জল ও চিকিৎসা সরবরাহ না হলে গাজার মানবিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।